তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

আমি কেন ভদ্রতা

অপরিচিত লোকেরে অসম্মান না কইরা যে ভঙ্গিতে আমরা কথা শুরু করি তার একটা গড়ন আছে। আমি এইটারে ভদ্রতার ন্যূনতম অবস্থা বলতে চাই। দেখবেন মধ্যবিত্তের একটা বিশাল অংশ এই ভদ্রতার পরোয়া করে না। যেমন তারা ছোটলোকের সঙ্গে যে ভঙ্গিতে আলাপ চালায়। এখন এই ভদ্রতার পরোয়া না করা লোকরা কী করতেছে? তারা তো শুরুই করতেছে মানহানি দিয়া। যেহেতু এই ব্যাপারে, যথা ছোটলোকদের তুইতোকারিতে, ফৌজদারি কোনো ব্যবস্থা নাই, ভদ্রতাই রক্ষা–তা, ভদ্রতা না করার কারণে মানহানি ঘটতেই থাকতেছে!

আবার অপরিচিত এক মধ্যবিত্ত চাইলেই আরেক মধ্যবিত্তরে তুই-তোকারি দিয়া শুরু করতে পারতেছে না। সে রকম হইলে বলপ্রয়োগ দেখা দেয়–তো ভদ্রতার পরোয়া না করার ব্যাপারটা আমি সমাজে এই ভাবেই দেখতে পাই। যারা ছোটলোক বা ভদ্রলোক না তাদের সঙ্গে সচরাচর ভদ্র আচরণ করা হয় না; যারা ভদ্রলোক তাদের সঙ্গে, আপনি ছোটলোকই হন আর বড়লোকই হন, ভদ্রতা আপনাকে করতেই হবে। ভদ্রতা মধ্যবিত্ত সমাজে ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির সম্পর্ক সূচনার ন্যূনতম বিন্দু।

ছোটলোকদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অন্য মাত্রার। গবেষকরা বলতে পারবেন।

৮/১২/২০১২

 

Leave a Reply