তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

ওগো পায়রা!

হ, এইবার আপনে আপনার ফেসবুকের কর্তৃত্ব নিজের হাতে লইয়া লইতে পারেন। যখন খুশি যারে—কারণে বা অকারণে বা একদমই ইচ্ছা হইছে আপনার সেই কারণে—আনফ্রেন্ড ও ব্লক করার মধ্য দিয়া আপনি আপনার ফেসবুক অধিকার সচল রাখতে পারেন।

কারো কমেন্ট ডিলিট করাও—যদি বলেন তবে বিনা কারণেই—সম্পূর্ণই আপনার এখতিয়ার। সহি গণতান্ত্রিক চেতনার বাস্তবায়ন এই ডিলিশন। সদর্থে।

আপনার নিজের ফেসবুক ওয়াল যখন আপনার হবে তখন আপনার ফেসবুক কমিউনিটিও আপনারই হবে।

পাবলিক ফোরাম মানে সকলের সঙ্গে মিশবার দাসখৎ নয়। সবার সঙ্গে আপনাকে মিশতে হবে না। আপনি কি সবার সঙ্গে মিশেন নি?

ব্যক্তিজীবনে আপনি যে কথা শুনতে আগ্রহী না, ফেসবুক ওয়ালে সে অরুচি ও খারাপ কেন হোনতে হবে আপনার!

আপনার ফেসবুক মানে আপনারই ফেসবুক; আপনার তথাকথিত ফেসবুক বন্ধুর ফেসবুক ইহা নয়। এবং এইটা রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত কোনো গণতান্ত্রিক সেশনও না যে সকলকেই লাইন ধরাইয়া কথা বলতে দিতে হবে।

এইবার আপনি আপনার বাক স্বাধীনতার চর্চা করুন। যেখানে অন্যের নাক ও গলা রূদ্ধ করা আবশ্যক তা নির্দ্বিধায় করুন—বাক স্বাধীনতার সঙ্গে তা প্র্যাকটিস করুন।

আপনার আনফ্রেন্ড, ব্লক ও কমেন্ট ডিলিটের গণতান্ত্রিক অধিকার প্র্যাকটিস করতে না দেওয়াও বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ। তা মানবার কারণ নাই।

শুভ বাক বাকুম!

২৬/৪/২০১৬

Leave a Reply