তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

কাজের লোক ও খাওয়ার টেবিল

১. কাজের লোককে একই টেবিলে খাইতে বসান? আপনিও বর্ণবাদী

কাজের লোকেদের রেস্টুরেন্টে একই টেবিলে খাইতে বসাইলে তাতে বর্ণবাদ আরো পোক্ত হয়।

কীভাবে?

আপনার মহত্ত তারে মানুষ হিসাবে খর্ব করে।

কাজের লোকরে ঠকাইতে পারতেছেন বইলাই একই টেবিলে খাইতে বসাইয়া মহত্ত চোদানোর সুযোগ পাইতেছেন।

নাইলে কাজের লোকের কীসের ঠেকা আপনারে একই টেবিলে বসতে দিবে?

হি হি, যতদিন মিডল ক্লাসের কাজের লোক ঠকানোর দুই নাম্বারি আছে, সমাজে বর্ণবাদের কোনো রফা হবার নয়।

কাজের লোকের ন্যায্য পাওনা দেন, হ্যার খাওন হ্যায় নিজেই খাইতে পারবে।

একটি বর্ণবাদী উদ্যোগ। করুণায় সাজানো এই উদ্যোগ মানুষে মানুষে ভেদাভেদের পক্ষে সমর্থন দেয়। দোকান কর্তৃপক্ষ কি ফ্যামিলির একটি সন্তানকে এই রকম ফ্রি খাওয়ানোর সাহস করবে?

২. কেন খাওয়ার টেবিলে কাজের লোক

এমনকি ন্যায্য পাওনা দিলেও কাজের লোককে একই টেবিলে খাইতে বসতে জোর করলে বা বাধ্য করলে তাতে সমস্যা।

যেহেতু কাজের লোক কাজের লোক, তাই সে মিডল ক্লাসের টেবিলে বসার মুখাপেক্ষী নয়।

যদি বসতে গিয়া খুশি হয় তবে বুঝতে হবে সে শ্রেণিগত ম্যানিপুলেশন বা কৃপার শিকার।

বুঝতে হবে মিডল ক্লাসের খাওয়ার টেবিলকে তার কাছে তীর্থ বানাইছে মিচকা মিডলক্লাস।

কাজের লোকরে করুণা কইরেন না, ন্যায্য মজুরি দেন।

২/৭/২০১৮

Leave a Reply