তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

খানকিকে কেন শ্রদ্ধা!

পেশাগত বা অর্থগত ভাবে যারা সমাজের উপরের দিকে থাকে তাদেরকে শ্রদ্ধা করতে হয়।

সাবলীল অর্থনীতির সহজ নিয়ম এইটা।

এখন এই রকম পেশাজীবীদেরকে শ্রদ্ধা করতে করতে আপনার শ্রদ্ধার ব্যারাম হইছে।

এখন আপনি খানকিদেরও শ্রদ্ধা করতে চান!

সমাজে খানকি পরিচয়ে সে অ-গৃহীত যে হইছে ওইটা শ্রদ্ধার অভাব দিয়াই হইছে।

আপনি তারে অপমান করবেন না সে এক কথা। শ্রদ্ধার আতিশয্যে তারে ভরতে চান কেন?

শ্রদ্ধা তো তার চাহিদা নয়। উপরন্তু আপনার শ্রদ্ধা তার পেশার বারোটা বাজাইয়া দিবে।

সমাজে শ্রদ্ধাবোধের উপস্থিতিই সামাজিক বর্ণবাদের উৎস।

এই বর্ণবাদ ক্রিয়াশীল হয় শ্রদ্ধার বিপরীত যে ক্রিয়া বা আচরণ সেই ‘অশ্রদ্ধা’ বা ‘অপমান’ এর মাধ্যমে।

পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বইলা কিছু হয় না। ওইটা ভদ্রতার ছদ্মনাম। ভদ্রতা মূলত ব্যবসায়িক লেনদেনের নাগরিক সম্পর্কসূত্র।

খানকির প্রতি আপনার শ্রদ্ধাবোধ খানকির স্বাধীনতাকে সমাজের প্রতিক্রিয়াশীলতায় বাঁধতে তৎপর।

চাইলে খানকির সঙ্গে খানকির নিয়মে চলেন। যেখানে শ্রদ্ধা-অশ্রদ্ধার সামাজিক রীতি বেসম্ভব।

৯/১০/২০১৬

Leave a Reply