তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

গু খাওয়ার দরকার নাই

ব্লু হোয়েল চ্যালেন্জ শুরু করা মানেই আত্মহত্যা করা।

নিজেকে বিসর্জন না দিয়া তো গেমই শুরু করতে পারবেন না আপনি।

এই গেম খেলতে গিয়া আপনি নিজে নিজে না থাকার বা অন্য কিছু হওয়ার প্র্যাকটিস শুরু করেন।

কাজেই গেমের অংশ হিসাবে ধাপে ধাপে নিজেকে শেষ করার সব নির্দেশ পালন করা ছাড়া আপনার উপায় থাকে না।

নিজেকে শেষ করার প্রতিটা ধাপ পরবর্তী ধাপকে প্ররোচিত করতে থাকে। নিজের ভিতরে তৈরি হইতে থাকা দ্বিতীয় সত্তা আপনার আপন সত্তার চাইতে শক্তিশালী হইয়া ওঠে এই গেমে।

অনেকে চ্যালেন্জ করেন যে তাদেরকে কেউ আত্মহত্যা করাইতে পারবে না।

গেমটি মূলত এদের জন্যেই রচিত।

এই জন্যেই গেমের নামে চ্যালেন্জ শব্দটি যোগ করা হইছে যাতে আপনার ভিতরকার বীরত্ব চাগাড় দিয়া ওঠে। যাতে আপনি চ্যালেন্জ গ্রহণ করেন।

এই ফাঁদে পা দিবেন না। জিভে গু ছোঁওয়াইতে পারবেন কিনা সে চ্যালেন্জ না হয় নাই বা নিলেন।

মনে রাখবেন এই খেলা শুরু করা মানেই আত্মহত্যা করা।

আত্ম বা নিজেকে হত্যারই ছোট ছোট উপাচার বা কাজ দিয়াই তো এই গেম সাজানো। ফাইনাল আত্মহত্যারে খুব আলাদা কইরা দেখার উপায় আছে কি?

আত্মহত্যা তখন জাস্ট অনুষ্ঠান মাত্র। একটা নির্দেশের অপেক্ষা। তার আগেই আপনি মইরা ভূত হইয়া আছেন।

যখন নিজের হাত কাটলেন বা কোনো একটা আত্মবিধ্বংসী কাজ করলেন তখন কি আপনি আত্মহত্যা করলেন না?

কাজেই ব্লু হোয়েল চ্যালেন্জের নামে আত্ম বা আত্মা বিরোধী কোনো খেলা নয়।

ব্লু হোয়েল চ্যালেন্জ থেকে দূরে থাকুন। গু খেয়ে দেখার দরকার নাই গু কেমন।

৯/১০/২০১৭

Leave a Reply