তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

গ্রেট লিডাররা কী করেন

বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসাবে কেবল মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীদের নয়।

এইটা শুনতে খারাপ শোনাইলেও বিদ্যমান বাস্তবতা। এই দেশ দেশপ্রেমিকদের যেমন তেমনই দেশদ্রোহীদেরও। এই দেশ ভারতপন্থীদের, পাকিপন্থীদেরও। বাংলাদেশপন্থীদের তো অবশ্যই।

এই দেশ যেমন আওয়ামী লীগের, তেমনি জামাতির, বিএনপির, এমনকি জাতীয় পার্টির বা হেফাজতেরও।

দেশ কেন এই রকম?

দেশ বড় তাই দেশ এই রকম।

হিটলারের জাগ্রত তরুণ নাৎসিদের নিয়ে পোস্টার
হিটলারের জাগ্রত তরুণ নাৎসিদের নিয়ে পোস্টার
নাৎসি কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে মেডিক্যাল এক্সপেরিমেন্টের জন্যে বন্দি শিশুরা
নাৎসি কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে মেডিক্যাল এক্সপেরিমেন্টের জন্যে বন্দি শিশুরা

কখনো কোনো গোষ্ঠীর মধ্যে বিশুদ্ধতা মাথাচাড়া দিয়া ওঠে, তখন তারা বিশুদ্ধ দেশ চায়। কিন্তু বিশুদ্ধ দেশ একটি ইউটোপিয়া।

বিশুদ্ধ দেশের রাস্তায় চলতে থাকা ফ্যাসীবাদ দেশকে বিশুদ্ধ করতে না পারলেও জাতীয়তাবাদী অবলম্বনগুলারে, আইকনগুলারে বিশুদ্ধ করতে থাকে।

গৃহযুদ্ধ এই ভাবেই শুরু হয়।

বড় নেতারা তাই বিশুদ্ধতা সংবরণ কইরা চলেন।

কিন্তু বিশুদ্ধতার কী লীলা, তা ছোট নেতাদেরও বড় কইরা তুলতে পারে। যেমন একজন হিটলার, যেমন একজন মোদী।

কিন্তু এইটা সাময়িক। ফ্যাসীবাদ সাময়িক। এবং সব তরফের জন্যে ক্ষতির কারণ।

১৫/১০/২০১৪

Leave a Reply