তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

তবে কি হেরা নিরব রহে তথায়

ভাষার তথাকথিত শুদ্ধতা ও রুচিশীলতা ছাড়াই লক্ষ লক্ষ এক অঞ্চলের লোকে আরেক অঞ্চলের লোকের সাথে বুইঝা শুইনাই ভাষা ব্যবহার করতেছে।

যারা কেবল শুদ্ধ ভাষা করতেছেন তারাই তা বোঝেন না। কারণ তারা অন্যের ভাষা বুঝতে রাজি না। এই গোয়ার্তুমির নামই শুদ্ধ ভাষা।

বহু লোকেরই শুদ্ধ ভাষা শিখা হয় না এবং সারা দেশ চষতে হয়—যেমন ড্রাইভার লোকেরা। এদের সংখ্যা শুদ্ধ ভাষার মিশনারি লেখক, সাংবাদিক, টিভি ব্যক্তিত্ব, বিদ্যালয় শিক্ষক ও কিছু শুদ্ধভাষাভাষী ছাত্রছাত্রীর চাইতে কম হবে না।

তো সারা দেশেই এই রকম ড্রাইভারদের দৈনিক দৈনিক যাইতে আসতে হয়। তারা প্রথমত শুদ্ধ ভাষা আর রুচিশীলতা পকেটে ভইরা হেরপরে ট্রাক লইয়া বাইরায় অ্যান্ড পরস্পরের লগে শুদ্ধতা চোদায় এইটা বিশ্বাসযোগ্য না।

তার চাইতে লিটল বিশ্বাসযোগ্য যে তারা পরস্পরের সহিত কথা বলে বাট ভাষা বোঝে না। অন্যান্য না-শুদ্ধ বিজনেস পিপলের ব্যাপারেও একই অবস্থা।

হয়তো এক অঞ্চলের লোক আরেক অঞ্চলে গিয়া চিল্লায় বসে। নির্বাক যুগ পালন করে তারা।

আর প্রত্যেক দোকানি প্রত্যেক কিনুনির কাছে শুদ্ধ ভাষায় শুদ্ধ ভাষা বেচে।

৩/৯/২০১২

 

Leave a Reply