তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

নাঈমুল ইসলাম খানের ওকালতি অথবা সাংবাদিকতা

প্রবীর যে বললো সে খুন হলে তিনজন দায়ী হবেন। এটা সিভিল অফেন্স নয়, একেবারে ক্রিমিনাল অফেন্স। এটার জন্য যদি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়, এটা অপরাধমূলক মত প্রকাশের জন্য, মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য নয়।
নাঈমুল ইসলাম খান (ঢাকা টাইমস, ২০/৮/২০১৫)

prabir-naimul
প্রবীর সিকদার। নাঈমুল ইসলাম খান।

আপনি যখন খুনের হুমকির মধ্যে থাকবেন তখন কোথায় তা রাষ্ট্র করলেন তার ন্যায়-অন্যায় দেখার চাইতে আপনি খুনের হুমকির মধ্যে আসলেই আছেন কিনা সেইটা দেখা সরকারের প্রাথমিক কাজ।

যদি আপনি আসলেই খুনের হুমকির মধ্যে থাকেন তবে তা প্রকাশনার পদ্ধতিগত অন্যায় অন্যায় হইতে পারে না। আক্রমণকারীকে ঠেকানোর জন্যে পালটা হামলা বৈধ। প্রাণ বাঁচানো এক নাম্বার।

তাই খুন হইয়া যাওয়ার চাইতে সম্ভাব্য অন্যায় কমেন্ট করা দরকারি হইতে পারে।

তবু বুঝলাম অন্যায় কমেন্ট করছেন প্রবীর সিকদার, এখন নাঈমুল যদি প্রবীরের স্ট্যাটাস বা ভয়ঙ্কর অভিযোগরে জাস্ট পদ্ধতিগত বা আইনি অন্যায়ে সীমিত কইরা আনতে চান এবং খুনের হুমকিকে স্রেফ অগ্রাহ্য করেন তাইলে তিনি ওকালতি করতেছেন। সাংবাদিকতা না।

২১/৮/২০১৫

Leave a Reply