তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

নিজেরে বুদ্ধিজীবী বলতে দ্বিধা কেন আপনার

আপনি নিজেরে ছাত্র বলেন, লেখক বলেন, কবি বলেন সমস্যা নাই, কেউ বিচার করতে আসবে না কীভাবে আপনি ছাত্র, লেখক বা কবি।

কিন্তু বুদ্ধিজীবী হওয়া যাবে না আপনার! কারণ ওইটা শুধু গুটিকয় ভাবগম্ভীররাই হবেন!! তাদের কোটা ওইটা।

নো, বুদ্ধিজীবী একটা সাধারণ বর্গ, এবং কবি-লেখকদের সবাই বুদ্ধিজীবী। কারণ তারা তাদের চিন্তা পাবলিকের কাছে হাজির করতেছেন। সেই চিন্তার প্রভাব তারা সমাজে রাখতে চান।

হইতে পারে সেই চিন্তা অন্য চিন্তাবাজদের চাইতে কমজোর। তাতে বুদ্ধিজীবী হইতে সমস্যা নাই।

সব বুদ্ধিজীবীই কোনো না কোনো সময় অন্য কোনো বুদ্ধিজীবীর কাছে ধরা খায়। তাতে তাদের বুদ্ধিজীবী না হইতে হয় না।

যারা বুদ্ধিজীবী হইতে বা নিজেরে বুদ্ধিজীবী বলতে ভয় পান তারা বুদ্ধিজীবিতা জিনিসটারে চান্দের আগায় লটকাইয়া রাখছেন।

এমনিতে আমাদের রামগরুড় বুদ্ধিজীবীদের বেশির ভাগই টীকাকার বা অনুবাদ বুদ্ধিজীবী। তবে তারা বুদ্ধিজীবীই।

যারা অন্য বুদ্ধিজীবীদের বাদ দিয়া দেশ ও দশের উন্নতি নিয়া দুঃশ্চিন্তিত বুদ্ধিজীবীদেরই কেবল বুদ্ধিজীবী বলেন এনারা প্রবলেম সলভিং বুদ্ধিজীবী। মূলত অ্যাকটিভিস্ট।

২৮/৬/২০১৮

Leave a Reply