তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

ফুসফুস ভাইয়া ও আপারা, এভ্রিলকে কেন কৃত্রিম ফুসফুস বানাইয়া বিখ্যাত হইতে হবে!

একটা আজাইরা ফটো স্টোরি ‘কালেক্টেড’ সাহেবের নামে ফেসবুকে ঘুইরা বেড়াইতেছে।

ছবিতে টুম্পা আর এভ্রিলের আজাইরা তুলনা করছেন তিনি।

কালেক্টেড লিখছেন:

“দ্বিতীয় জনকে পচানব্বই ভাগ লোক চিনলেও প্রথম জনকে পাচ ভাগ লোক চিনবেন কিনা সন্দেহ! দ্বিতীয় জন আমেনা থেকে এভ্রিল হওয়া মাফিয়া গার্ল, সোশ্যাল মিডিয়ায় যাকে নিয়ে সকাল সন্ধ্যা আলোচনা সমালোচনা। কিন্তু প্রথম জন তেমন কেউ নন। তবে পরিচয় করিয়ে দিই- প্রথম ছবির মেয়েটি হল আয়েশা আরেফিন টুম্পা যিনি ন্যানো প্রযুক্তির মাধ্যমে লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবেরটরিতে তৈরি করেছেন বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম মানব ফুসফুস।”

😛

তো কী হইছে?

কে কারে চিনল না চিনল দিয়া এই তুলনার কারণ কী?

দুই জনের ছবির কমন নীল রঙ কালেক্টেডরে উত্তেজিত করছে কি?

ফেটিশ?

আর আপনাদেরকে করল কেন এই স্টোরি, উত্তেজিত, ফুসফুস ভাইয়া ও আপারা?

এভ্রিল কেন কৃত্রিম মানব ফুসফুস বানাইলেন না তাই দেখতেছি কালেক্টেড সাহেবের দুঃখের কারণ।

কালেক্টেড, আপনি কৃত্রিম মানব ফুসফুস বানাইছেন?

না।

তাইলে এভ্রিলের কেন তা বানাইতে হবে?

বা যারা এই আজাইরা স্টোরি দিয়া ফেসবুক নোংরা করতেছেন আপনারা কেউ বানাইছেন এই রকম কোনো ফুসফুস।
না।

হাঃ হাঃ, কিন্তু ঠিকই এভ্রিল কেন কৃত্রিম ফুসফুস না বানাইয়া বিখ্যাত হইছেন তা লইয়া আপনাদের খুব সমস্যা।

আপনারা ফালতু জিনিসে লাফান বেশি।

১৬/১০/২০১৭

Facebook Comments

Leave a Reply