তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

মুসলমানরা যদি আদৌ ফিলিস্তিনি খ্রীষ্টানদের মৃত্যু নিয়া কথা না বলে

Thousands of Christian Zionists from various countries wave flags in the annual Jerusalem March, October 4, 2012. Christian Zionists have become a potent force in international politics because of their mostly uncritical support for the State of Israel. (photo: Ryan Rodrick Beiler/Activestills.org)
Thousands of Christian Zionists from various countries wave flags in the annual Jerusalem March, October 4, 2012. Christian Zionists have become a potent force in international politics because of their mostly uncritical support for the State of Israel. (photo: Ryan Rodrick Beiler/Activestills.org)

ফিলিস্তিনে মুসলমান মরতেছে এইটার মধ্যে খ্রীষ্টান মরতেছে না তেমন নিশ্চিত বক্তব্য নাই।

খ্রীষ্টানদের মৃত্যু মুসলমানদের মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারতেছে না তা বলা যায়। বা খ্রীষ্টানদের মৃত্যু মুসলমানরা গ্রাহ্য করতেছে না—তাও আপনি বলতে পারেন।

মুসলমানরা যদি খ্রীষ্টানদের বা ইহুদিদের বা হিন্দুর মৃত্যুতে সাড়া না দেয়, তারা যদি ভিনধর্মীদের ব্যথায় না কান্দে তাতে মুসলমানদের আপনি হৃদয়হীন বইলা গালি দিতে পারেন, স্বার্থপর বলতে পারেন কিন্তু আপনি এইটারে সাম্প্রদায়িকতা বলতে পারেন না।

আপনি কাউরে ভালোবাসেন না তা সাম্প্রদায়িকতা নয়। ঘৃণা যখন করবেন সেইটা সাম্প্রদায়িকতা।

আমি বলতেছি, অন্য ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপারে ‘মানুষ’ ট্যাগ বসাইয়া মুসলমানদের কর্তব্য নির্ধারণ কইরা দেওয়াটা ফ্যাসিবাদ। মুসলমানদের চুপ থাকাটা সাম্প্রদায়িকতা নয়। যেমন ইন্ডিয়ার হিন্দুরা যদি ফিলিস্তিনের মুসলমানদের বাদ দিয়া খ্রীষ্টানদের মৃত্যুতে ব্যথা পায় তা সাম্প্রদায়িকতা নয়।

২৭/৭/২০১৪

Leave a Reply