তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

রাজীবের দুই ভাই ও অনন্ত জলিলের দায়িত্ব লওয়ার বিজ্ঞাপন

মি. অনন্ত জলিল, হাত হারানো রাজীব হোসেনের মৃত্যুর পর ছোট দুই ভাইয়ের দায়িত্ব নেওয়াটা নিজের বিজ্ঞাপন হিসাবে বেশ ভালো, তবে তাদের ভবিষ্যৎ আপনি দায়িত্ব নেওয়ার পরেও অনিশ্চিতই থাকবে।

দান ও করুণা গ্রহণকে এই সমাজ খুব আদর্শ মনে করে।

আপনার ইচ্ছার দাস বা সহমর্মী হইয়া বড় হইতে হবে ওদের। যেই চাকরি দিবেন সেই চাকরিই করতে বাধ্য থাকবে ওরা।

বরং টেকা দেন ওদেরকে, নগদ টেকা ব্যাংকে রাখেন ওদের নামে। সেইটায় বরং দায়িত্ব নেওয়া হবে।

এতিম বাচ্চাদের দেখাশোনার জন্যে যে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা চালু আছে আপনারা রাজীব হোসেনের ভাইদের জন্যে তার চাইতে ভিন্ন কিছু যখন দাবি করেন তখন আর সব এতিম বাচ্চাদের প্রতি আপনারা অবিচার করেন।

আপনি বাচ্চা দত্তক নেওয়ার যে প্রথা চালু আছে তার পক্ষে না বিপক্ষে?

বাচ্চা দত্তক নেওয়া একটা দরকারি কুপ্রথা। যে আপনার সন্তান নয়, তার প্রতি আপনার বাৎসল্য করুণার বিষয়।

মহৎ ইউরোপিয়ানরা এই দেশ থেকে বহু বাপ-মায়ের বাচ্চা দত্তক নিয়া গেছিল। কয়দিন পরে পরে তারা নিজস্ব বাপ-মায়ের সন্ধানে দেশে আসে, তাদের আহাজারিতে বাংলার আকাশ-বাতাস এমনকি দৈনিক পত্রিকাগুলি পর্যন্ত ভারি হইয়া যায়।

এতিম বাচ্চারা সমাজ ও রাষ্ট্রের জিম্মায় থাকে। আপনি তাদের মধ্যে যখন বেটার এতিম বাছাই করতে যান সেইটা আপনার, আপনাদের দুই নম্বরী।

Facebook Comments

1 Comment

Add Yours →

জলিল সাব এদের দায়িত্ব নেননি। নগদ মাত্র দশ হাজার টাকা একবারই দান হিসেবে দিয়েছেন। এরপর আর কোন টাকা দেননি। গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে এই ব্যাটা হিরোগিরি করেছেন।

Leave a Reply