তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

লেখকের পাপ

সাহিত্য যে সচরাচর সংস্কৃতি বিরোধী একটা অবস্থানে সইরা যাইতে চায় এর কারণ লেখক-লেখিকাদের দুই পয়সার বুদ্ধিবৃত্তিক উচ্চম্মন্যতা। যেইটারে ওনাদের ব্যক্তিস্বাতন্ত্র বইলা ভ্রম হইতে পারে।

ব্যক্তিস্বাতন্ত্রের অসুখ হইলে তো গাধাগুলি ওদের মতই মস্তিষ্কসর্বস্ব অন্য গাধাসমবায়ের লগে মিশতে যাইত না। কিন্তু একই রকম বুদ্ধিবৃত্তির লেখকগুলা একই রকমগুলার লগে মিলমিশ করে। কেচো ওরা। এক লগে মাটি খায়।

লেখকদের বুদ্ধি সাধারণত আশপাশের মানুষের চরিত্র অনুসন্ধানে খর্চা হয়। যেইটা দুনিয়ার এই প্রাইভেসির যুগে সর্বোচ্চ একটা আগলি। গু এরা।

লেখকরা যে লেখেন সেই কারণেই ওনাদের আমার কাছে লেখক লাগে এমন না। লেখক হইল অসুস্থ্য এক ধরনের মানুষ যারা অন্য মানুষদেরকে নিজেদের বিষয়ে পরিণত করে। আর খালি মাথা খাটায়।

আমিও তেমনই অভিশপ্ত মাথাঅলা। লেখক। অন্যেরে বিচারের পাপে আমি পাপী।

৬/২/২০১৬

Facebook Comments

Leave a Reply