তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

সলিমুল্লাহ খানকে কেন অদৃশ্য করে দিতে চায় প্রথম আলো

কাগজ সংস্করণের বুদ্ধিজীবীকুলের ছবি থেকে সলিমুল্লাহ খানকে কেটে বাদ দেয়া হয়েছে

ভালো মানুষদের পত্রিকা প্রথম আলো শুরু থেকেই কিছু ইতরতা করে আসছে।

পত্রিকাটিকে ঘিরে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত সম্পাদক ও কতিপয় সাংবাদিক কাম লেখকের ঈর্ষা বা ব্যক্তিগত রোষের শিকার হচ্ছেন সমাজের গণ্য বুদ্ধিজীবীরা।

বুদ্ধিজীবী উৎপাদক প্রথম আলো তার সমালোচক বুদ্ধিজীবীদের অদৃশ্য করে দিতে পারলে বাঁচে। তারই একটি দুই নাম্বারি দেখা গেল ২৭ নভেম্বর ২০১২ তারিখের প্রথম আলোতে।

এদিন প্রথম আলোটি তার ৭ এর পাতায় উপরের দিকে ছবিসহ একটি সংবাদ ছাপে এ প্রকার: ‘অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক ছিলেন জ্ঞানের উৎপাদক’।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ২৬ নভে ২০১২-তে অনুষ্ঠিত আবদুর রাজ্জাক স্মরণসভার সংক্ষিপ্ত বৃত্তান্ত ছাপে তারা।

সংযুক্ত ছবিটিতে দুই নাম্বারি করেন সম্পাদক।

তাতে তিন আলোচক ও সভাপতির ছবি থাকলেও অন্যতম আলোচক সলিমুল্লাহ খানের ছবি কেটে বাদ দেয় পত্রিকাটি।

তবে অনলাইন সংস্করণের ছবিতে তারা তাকে ঢুকতে দিয়েছে। লিংক >> অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক ছিলেন জ্ঞানের উৎপাদক

 

অনলাইন সংস্করণে আলোচক সলিমুল্লাহ খানকে রাখা হয়েছে

২৯.১১.২০১২

 

Facebook Comments

1 Comment

Add Yours →

oti nichu ruchi nie prothom alo sob bodle dite chai? taar nijeke bodlabar somoi bodh hoi ese gese. (Avra kaj korlo na bole roman horophe likhte holo, dukhito)

Leave a Reply