তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

হোয়াট ইজ প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা!

‘প্রতিষ্ঠান বিরোধী’ হিসাবে দেখাটা প্রতিষ্ঠানের দিক থিকা দেখা। যেমন বলে রবীন্দ্র বিরোধী। রবীন্দ্রনাথের সমালোচনা বা নিন্দা কোনোটাই যেমন রবীন্দ্র বিরোধিতা নয়, বরং বড়জোর রবীন্দ্রনাথের দুর্বল নিন্দা বা ফাউল সমালোচনা তেমনটাই প্রতিষ্ঠানের সমালোচনা বা নিন্দা মানে প্রতিষ্ঠানেরই সমালোচনা বা নিন্দা। এরে ‘প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা’ আখ্যা যখন দেওয়া হয় তখন প্রতিষ্ঠানের কণ্ঠ সেইটা। নিজেকে কেন্দ্রে যদি ভাবতে থাকে প্রতিষ্ঠান আর তার অনু পরমানুরা তখন এইভাবে বলা সম্ভব।

আমি দেখছি কলিকাতায় ও পরে ঢাকায় অনেক স্বঘোষিত প্রতিষ্ঠান বিরোধী জিন্দা আছেন, আমি সেইভাবে প্রতিষ্ঠানের গন্তব্যকে নিজের গন্তব্য কইরা তুলতে চাই নাই। এই না চাওয়াটা প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা নয়। যেমন প্রতিষ্ঠানগুলার মধ্যেও কোনো রাইসু বিরোধিতা আদৌ খেয়াল কইরা উঠতে পারি নাই।

 

১২ মে ২০১২

 

Flag Counter

Facebook Comments

Leave a Reply