তর্কের যে নিয়ম প্রশ্নহীনভাবেই গ্রাহ্য তার বাইরের তর্ক

হোয়াট ইজ স্বাধীনতা

তুমি আমারে বাইন্ধা রাখতেছো–তাই তুমি পরাধীন। আমি বন্দি বটে, কিন্তু স্বাধীন। আমি স্বাধীন না হইলে তুমি আমারে বানতে আসতা না। তাই আমি যখন বান্ধা তখনও স্বাধীন। বন্দিত্ব এবং পরাধীনতা পরস্পর বিপরীত। যে পরাধীন তারে আর বন্দি করা লাগে না। সে কারণেই যেখানে অন্যে নাই সেখানে স্বাধীনতার প্রশ্নও আর নাই। অন্যের স্বাধীনতারে মানতে না পারাই হইতেছে পরাধীনতা।

আমরা সৌজন্যের জন্য, শান্তির জন্য, করুণার জন্য যতটা অন্যের দায়িত্ব নেই ততটাই আমরা পরাধীন। কিন্তু যেখানে হাজারটা আইনকানুন আর বিধান বানায় রাখছে নানান প্রতিষ্ঠান সেখানে আমরা সত্যিকারের স্বাধীন–কারণ স্বাধীন ভাবেই আমরা সেই সব নিয়ম পালন করি, মাইনা নেই। আমরা যদি না চাই তবে তো সে নিয়ম বা আইনকানুন আমাদের জন্যে আদৌ উপস্থিত নাই। আমি যার যত যত শর্ত মাইনা চলি ততই আমার সব স্বাধীনতা!

শর্ত মানবার সক্ষমতাই স্বাধীনতা।

 

৯/৮/২০১২

 

Flag Counter

2 Comments

Add Yours →

মালিক পরাধীন। দাসই স্বাধীন তাইলে। কারণ সে কিনা সহিংসতার হুমকির মুখে মালিকের শর্ত মানতে সক্ষম হয়ে ওঠে।

এইটা বিপ্লব স্তিমিতকরণে ভালোই কাজে দিবে মনে হচ্ছে। :-/

Leave a Reply