উপন্যাসে কৃতজ্ঞতা স্বীকার না করলেও চলে। যার দরকার সে উৎস দেইখা নিবে।

উপন্যাসে বাস্তব এবং নথিসমূহ থিকা বিনা কৃতজ্ঞতায় তথ্য সন্নিবেশ করা যাইতে পারে বইলা আমি মনে করি।

এছাড়া পাইরেসি একটা প্যাটেন্ট কেন্দ্রিক কাজেই আমেরিকা কেন্দ্রিক ধারণা। যার ভিত্তি অত মজবুত না।

ইতিহাসরে একটা নির্দিষ্ট জাতির মনন বা বুদ্ধিবৃত্তি ও টাইম লাইন দিয়া বিচার করার কিছু নাই। কাজেই পাইরেসিও নাই।

piracy-3

একই লেখা আগে একজন লিখছে তাই পরে আরেক জন লিখতে পারবে না এমন দিব্যির কারণ কী? একের কথা বলতে যদি অন্যের সমস্যা না হয়, লিখতে কেন হচ্ছে—ভাবা দরকার।

লেখালেখির সঙ্গে পাপের সম্পৃক্তির কারণ ধর্মগ্রন্থসমূহ। ধর্মগ্রন্থ লেখালেখির সঙ্গে ঐশী বা পবিত্রের ধারণা যুক্ত করছে। কাজেই একের কথা অন্যে বলতে পারবে না। স্রষ্টার কথা স্রষ্টার রেফারেন্সেই বলতে হবে।

এখন যে কোনো লেখকই স্রষ্টা দাবি করতে চায় নিজেরে, ও লেখার উপরে স্বীয় কর্তৃত্বের দাবি জানায়। ইতিহাসরে একক ও ইশ্বরের জায়গায় না নিলে এর ভিত্তি নাই। মানে ইতিহাসের রাষ্ট্রীয় মালিকানাই এই দাবির ভিত্তি। যা হাস্যকর।

কাজেই লেখা যদি হবহু মিল্লাও যায়, দুই লেখা দুই জনারই।

এখনই পড়ুন: প্যাটেন্ট—আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের মার্কিনতা